1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

মুক্তিযুদ্ধ

  • দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক

    ২০১৪ সালের পর জার্মানি ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক

    আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কার্জাই ও জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছেন৷ ২০১৪ সালে জার্মান সেনাবাহিনী চলে যাবার পরও আফগানিস্তানকে সহায়তা করে যাবে জার্মানি৷ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে৷ গত শতাব্দীর বিশের দশকেই দুই দেশের মধ্যে ভালো সম্পর্ক ছিল৷

  • ভিত্তিপ্রস্তর

    ২০১৪ সালের পর জার্মানি ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    ভিত্তিপ্রস্তর

    বর্তমান সহযোগিতার ভিত্তি রচিত হয়েছিল বন শহরে, ২০০১ সালে পেটার্সবার্গ সম্মেলনের সময়৷ সেখানে আন্তর্জাতিক সমাজের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তালেবান-পরবর্তী আফগানিস্তানের যাত্রাপথ স্থির করা হয়৷ সেদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বাহিনী (আইসাফ) মোতায়েন করার আবেদন জানানো হয়৷

  • উচ্চ পর্যায়ের সফর

    ২০১৪ সালের পর জার্মানি ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    উচ্চ পর্যায়ের সফর

    তৎকালীন জার্মান চ্যান্সেলর গেয়ারহার্ড শ্র্যোডার ও তাঁর সরকার এই সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন এবং আফগানিস্তানে জার্মান সেনা পাঠিয়েছিলেন৷ দেশের উত্তরে সক্রিয় জার্মান সৈন্যদের সঙ্গে মিলিত হতে সামরিক বিমানে যাত্রা করছেন শ্র্যোডার৷

  • সবার আগে নিরাপত্তা

    ২০১৪ সালের পর জার্মানি ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    সবার আগে নিরাপত্তা

    ২০০২ সালের প্রথম দিকে জাতিসংঘ ও আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারের অনুরোধে জার্মানি আফগান পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষণের মূল দায়িত্ব গ্রহণ করে৷ ২০০২ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে জার্মানি প্রায় ১৫ কোটি ইউরো ব্যয় করেছে৷ ২০০৭ সাল থেকে ইউরোপোল এই দায়িত্ব পালন করছে৷

  • জার্মানি যেখানে সক্রিয়

    ২০১৪ সালের পর জার্মানি ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    জার্মানি যেখানে সক্রিয়

    জার্মান সেনাবাহিনী আফগানিস্তানের উত্তরে মাজার-ই-শরিফ শহরকে কেন্দ্র করে গোটা অঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে৷ দেশের পুনর্গঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর দলগুলি কুন্দুস ও ফৈজাবাদে কাজ করছে৷ এই মুহূর্তে প্রায় ৪,৭০০ জার্মান সৈন্য এই অঞ্চলে তৎপর৷

  • পুনর্গঠন

    ২০১৪ সালের পর জার্মানি ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    পুনর্গঠন

    আফগানিস্তানের পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে জার্মানির বেসামরিক তৎপরতার অবদান কম নয়৷ জার্মান উন্নয়ন সাহায্যের আওতায় মাজার-ই-শরিফ শহরে গড়ে তোলা হয়েছে এই হাসপাতাল৷ প্রায় ৪০০ জন রোগী এখানে আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা ভোগ করতে পারেন৷ শহরের মানুষ এজন্য কৃতজ্ঞ৷

  • একটি নির্দেশের পরিণাম

    ২০১৪ সালের পর জার্মানি ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    একটি নির্দেশের পরিণাম

    কুন্দুস’এ এক বিমান হামলার কারণে প্রথম বারের মতো জার্মান সেনাবাহিনীর বদনাম হয়৷ জার্মান সেনাবাহিনীর এক অফিসার মার্কিন বোমারু বিমানকে দু’টি ট্যাংকারের উপর হামলা চালাবার ডাক দেন৷ তালেবান সেই ট্রাক দু’টিকে অপহরণ করেছিল৷ সেই হামলায় হতাহতের সংখ্যা প্রায় ১৪২, যাদের মধ্যে শিশুরাও ছিল৷ জার্মান সেনাবাহিনীর কোনো অভিযানে এত বড় বিপর্যয় ঘটে নি৷

  • জার্মানরা যখন হামলার শিকার

    ২০১৪ সালের পর জার্মানি ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    জার্মানরা যখন হামলার শিকার

    বিদ্রোহীদের হামলা থেকে রেহাই পায় নি জার্মান সৈন্যরাও৷ এখনো পর্যন্ত মোট ৫৩ জন জার্মান সৈন্য সেদেশে নিহত হয়েছে৷ দেশে ফেরার পরেও অনেকের মানসিক অবস্থা ভালো নয়৷

  • চিরবিদায় নয়?

    ২০১৪ সালের পর জার্মানি ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    চিরবিদায় নয়?

    ২০১৪ সালে জার্মান সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হলেও সেদেশে জার্মান উপস্থিতি থাকবে৷ গত বছরেই জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেস্টারভেলে বলেছিলেন, ‘‘আমরা আমাদের বন্ধুদের ভুলে যাব না৷’’ কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে অদূর ভবিষ্যতে সেই আশঙ্কা থাকছে না৷ ভবিষ্যতেও আফগানিস্তানের সহায়তা করবে জার্মানি৷


    প্রতিবেদন: ওয়াসলত হসরত-নাজিমি/সঞ্জীব বর্মন | সম্পাদনা: হান্স স্প্রস/দেবারতি গুহ

ব্লগ