1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

চলতি ঘটনা

প্রথম প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান মনোনীত করলো ইইউ

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত হলেন বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী হ্যার্মান ফান রম্পয়৷ আর ২৭ সদস্য বিশিষ্ট এই কাউন্সিলের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বিষয়ক প্রধান হিসেবে মনোনয়ন পেলেন ক্যাথরিন অ্যাশটন৷

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রথম প্রেসিডেন্ট হ্যার্মান ফান রম্পয় এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান ক্যাথরিন অ্যাশটন

বৃহস্পতিবার রাতে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস-এ অনুষ্ঠিত ইইউ সম্মেলনে, কাউন্সিলের প্রথম প্রেসিডেন্ট পদটি নিয়ে সপ্তাহব্যাপী মতানৈক্যের অবসান ঘটলো৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টোনি ব্লেয়ার নয়, পরিষদের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিলেন ৬২ বছর বয়স্ক অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত বেলজীয় প্রধানমন্ত্রী হ্যার্মান ফান রম্পয়'কে৷

রম্পয়-এর নিজের কথায়, ‘‘ইউরোপ হচ্ছে বিভিন্ন মূল্যবোধের সমন্নয়৷ মূল্যবোধ বা আদর্শ ছাড়া পৃথিবী অচল হয়ে পড়বে৷ আর সে কারণেই, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সারা বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে৷ আশা করছি, আগামী আড়াই বছরে আদর্শগত মিল থাকলে বেশ কিছু দেশকে আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হবো৷''

রম্পয়-এর সঙ্গে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডরিক রাইনফেল্ডট এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ল বিল্ডট

শুধু তাই নয়, রম্পয় বারে বারেই তাঁর প্রধান কাজ হিসেবে ইইউ-র সদস্যদেশগুলির মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে ঐক্য প্রতিষ্ঠার কথা তুলে ধরেছেন৷ এদিকে, নতুন প্রেসিডেন্টের কথার সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন এদিনের আর এক বিস্ময় পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বিষয়ক প্রধান হিসেবে মনোনীত ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ এবং লেবার রাজনীতিক ৫৩ বছর বয়স্কা ক্যাথরিন অ্যাশটন৷

অ্যাশটন বলেন, ‘‘ব্রিটেনে আমি প্রথম মহিলা কমিশনার ছিলাম, ছিলাম ইইউ-র প্রথম বাণিজ্যিক কমিশনারও৷ তাই এবার, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রথম মহিলা পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান হিসেবে মনোনয়ন পেয়ে আমি সত্যিই গর্বিত৷ তবে আমি আমার দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পালন করতে চাই৷ আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, এ কাজ আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবো৷ প্রেসিডেন্ট রম্পয় যা বললেন, ইউরোপের আদর্শকে আমি বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করবো৷''

সম্প্রতি নতুনদিল্লি’তে ভারতীয় বাণিজ্যমন্ত্রী আনন্দ শর্মার সঙ্গে ক্যাথরিন অ্যাশটন

রম্পয়ের এই মনোনয়ন অবশ্য আন্তর্জাতিক স্তরে ইতিমধ্যেই সমালোচনার শিকার হয়েছে৷ মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেরই ধারণা যে, এই দুই শীর্ষ নেতা মনোনয়নের মাধ্যমে ইউরোপ যেন ‘সাইড লাইন'-এ চলতে চাইছে৷ তাঁদের ধারণা, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টোনি ব্লেয়ার ইরাক নিয়ে ইউরোপে বিভাজন সৃষ্টি করায় এবং অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে ‘ইউরো'কে স্বীকৃতি না দেওয়াতেই এহেন দুই নরমপন্থী নেতাকে বেছে নিয়েছে ইউরোপ৷

যদিও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট দেশ সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডরিক রাইনফেল্ডট জানান, ‘‘ইউরোপের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক সম্মেলন ছিল৷ এবং এই সম্মেলনে ইউরোপের নতুন শীর্ষ স্থানীয় নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন এঁরাই৷ তাই আশা করছি ১লা ডিসেম্বর, বহু বছরের প্রতীক্ষা, পরিকল্পনা এবং চেষ্টার পর, অবশেষ আমরা লিসবন চুক্তিটি বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবো৷ এবং এই কাজ সম্পন্ন করতে যে দুজন আমাদের নেতৃত্ব দেবেন, তাঁদেরই আজ মনোনয়ন করেছে ইউরোপীয় কাউন্সিল৷''

প্রতিবেদক: দেবারতি গুহ

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

ডিডাব্লিউ.ডিই

এই ক্যাটেগরি’র আরো প্রতিবেদন

৫২'র ভাষা আন্দোলনে সামিল ছিলেন যারা, সেই ভাষা সৈনিকদের নিয়ে আমাদের বিশেষ পরিবেশনা৷