
বাংলাদেশে দুর্নীতির অভিযোগে সরকারি কর্মকর্তা বা কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করতে সরকারের আগাম অনুমতি লাগবে না৷ আর দুর্নীতি দমন কমিশন - দুদকই অবৈধ সম্পদ জব্দ করতে পারবে৷
এসব বিধান রেখে দুদক আইনের সংশোধনী চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ৷এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান ডয়চে ভেলেকে বলেন, তাই যদি হয় তাহলে দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে৷ পারবে দুর্নীতি দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে৷
অবশেষে সব জল্পনা কল্পনা আর আশঙ্কার অবসান ঘটল৷ দুদকের প্রস্তাবিত খসড়া আইনে বলা হয়েছিল, সরকারি কর্মকর্তা বা কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করতে সরকারের আগাম অনুমতি লাগবে৷ এমনকি তদন্তের জন্যও অনুমতির কথা বলা হয়েছিল৷ আর এ নিয়ে সুশীল সমাজসহ নানা মহল থেকে প্রতিবাদও ওঠে৷ কিন্তু বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ে ওই খসড়া আইন নিয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা করতে কোন আগাম অনুমতি লাগবে না৷ আর দুদক অবৈধ সম্পদ জব্দ করতেও পারবে৷ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথাই জানান আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ৷
বৈঠকে আইনমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রী পরিষদের সচিব, অ্যাটর্নি জেনারেল, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন৷ আইনমন্ত্রী জানান, দুদকের মামলা দায়ের, পরিচালনা এবং অবৈধ সম্পদ জব্দ করার ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইনে যাই থাকুক না কেন দুদকের আইনই প্রাধান্য পাবে৷
এইসব সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান ডয়চে ভেলেকে জানান, এসব যদি আইনে পরিণত হয় তাহলে দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে৷ তিনি এই সিদ্ধান্তকে দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন৷
এসব সিদ্ধান্ত আইনে পরিণত করতে হলে মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন লাগবে৷ এরপর তা বিল আকারে উত্থাপন করে সংসদে পাশ করতে হবে৷
প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা
সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক
ই-মেল অথবা এসএমএস পাঠিয়ে খুব দ্রুত আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন৷
ই-মেল: bengali@dw.de
এসএমএস: +88.0173.0302.205
এসএমএস: +91.9830.997232
ভয়েস মেল: +49.228.429-164158
ফ্যাক্স. +49.228.429-154158