
অবশেষে ঠাণ্ডা জেঁকে বসেছে ইউরোপে৷ গত পাঁচদিনে কমপক্ষে ৮৯ জন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে৷ এদিকে ঠাণ্ডায় দেশে গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপে রপ্তানি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রাশিয়ার গ্যাস সংস্থা গ্যাজপ্রম’এর৷
নিহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ইউক্রেণে৷ প্রায় ৪০ জন৷ এদের মধ্যে ২১ জন ছিলেন আশ্রয়হীন৷ অর্থাৎ, এরা ঘুমিয়েছিলেন রাস্তায়৷ পরে তাদের জমে যাওয়া শরীর পাওয়া গেছে৷ ইউক্রেণে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মাইনাস ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷
প্রায় সাড়ে চারশো জন ঠাণ্ডাজনিত রোগ হাইপোথার্মিয়া ও ফ্রস্টবাইটে আক্রান্ত হয়েছে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে৷ স্কুল, কলেজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে৷ সরকার আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে৷ সেখানে গরম চা ও খাবার দেয়া হচ্ছে৷
জমে যাওয়া লেকের পানি বের করার চেষ্টা
পোল্যাণ্ডেও চলছে ঠাণ্ডার কামড়৷ সেখানে মারা গেছেন ২৭ জন৷ তাপমাত্রা নেমে গেছে মাইনাস ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে৷
এদিকে পূর্ব জার্মানির ওডা'র নদীর পানি ঠাণ্ডায় জমে যাওয়ায় জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে৷ একই কারণে চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম বুলগেরিয়ার ডুনাবে বন্দর এলাকায়৷ এটি ইউরোপের অন্যতম ব্যস্ত বন্দর হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ বুলগেরিয়ায় গত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শীত পড়েছে এবার৷
রোমানিয়ায় মারা গেছে আটজন৷ এছাড়া পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য দেশেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে৷
শুধু তই নয়৷ সুইজারল্যাণ্ডে তুষারের কারণে ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে৷ আর ইটালিতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে৷
আবহাওয়া অফিস বলছে, ঠাণ্ডার এই আমেজ থাকতে পারে আরও এক সপ্তাহ৷
প্রতিবেদন: জাহিদুল হক
সম্পাদনা: দেবারতি গুহ
ই-মেল অথবা এসএমএস পাঠিয়ে খুব দ্রুত আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন৷
ই-মেল: bengali@dw.de
এসএমএস: +88.0173.0302.205
এসএমএস: +91.9830.997232
ভয়েস মেল: +49.228.429-164158
ফ্যাক্স. +49.228.429-154158