1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

রাসায়নিক বর্জ্য ধ্বংস

১০ জানুয়ারি ২০১৪

সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র বা অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা যায় এমন দ্রব্য ধ্বংস করার কাজে জার্মানির সহায়তা চাওয়া হয়েছিল৷ জার্মান সরকার জানিয়েছে, সিরিয়া সংকট নিরসনের স্বার্থে রাসায়নিক বর্জ্য জার্মানিতে ধ্বংস করতে প্রস্তুত৷

https://p.dw.com/p/1AoS1
Syrien UN-Kontrolleure überprüfen Vorwürfe zu Giftgasangriff
ছবি: Reuters/Mohammad Abdullah

রাসায়নিক অস্ত্র নিরোধ সংস্থা ওপিসিডাব্লিউ সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র, অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার্য দ্রব্য বা বর্জ্য ধ্বংস করার ব্যাপারে জার্মানির সহযোগিতা চেয়েছিল৷ জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাংক ভাল্টার স্টাইনমায়ার এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী উরসুলা ফন ডের লেয়েন জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে জার্মানি পূর্ণ সহযোগিতা দেবে৷

প্রতিরক্ষামন্ত্রী উরসুলা ফন ডের লেয়েন বলেন, রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং নিরাপদ প্রযুক্তি আছে বলেই জার্মানির কাছ থেকে এমন প্রত্যাশা করা হয়৷ জার্মানির ভেতরেই সিরিয়ার রাসায়নিক বর্জ্য ধ্বংস করে এ প্রত্যাশা পূরণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাংক ভাল্টার স্টাইনমায়ার বলেছেন, ‘‘প্রযুক্তিগতভাবে সক্ষম কোনো দেশ (ওপিসিডাব্লিউ-র) এ আহ্বানে সাড়া দিতে অস্বীকার করতে পারে না৷'' জার্মানির এই দুই মন্ত্রী জানান, সিরিয়া থেকে রাসায়নিক অস্ত্র বা বর্জ্য এলে সেগুলো ধ্বংস করার কাজে তাঁরা জার্মান সংস্থা জিইকেএ-র সহায়তা নেবে৷

গত সেপ্টেম্বরে দামেস্কে রাসায়নিক অস্ত্র হামলায় কয়েকশ সিরীয় নিহত হওয়ার পর সিরিয়ায় হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র৷ রাশিয়া আর চীন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সমর্থনে শক্ত অবস্থান নেয়ায় যুক্তরাষ্ট্র তখন হামলা পরিকল্পনা স্থগিত রাখে৷ সিরিয়াও তখন অস্ত্র নিরোধ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে৷ চুক্তি অনুযায়ী, ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম কিস্তির রাসায়নিক অস্ত্র বা রসদ জাতিসংঘ এবং রাসায়নিক অস্ত্র নিরোধ সংস্থা (ওপিসিডাব্লিউ)-র পর্যবেক্ষকদের হাতে তুলে দেয়ার কথা৷ খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রথম কিস্তিটি ছাড়তে কিছুটা দেরি হয়েছে৷ গত মঙ্গলবার সিরিয়ার দুটি স্থান থেকে কিছু রাসায়নিক লাতাকিয়া বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়৷ জাতিসংঘ এবং ওপিসিডাব্লিউ-এর পর্যবেক্ষকরা যাচাই করে অনুমোদন দেয়ার পর রাসায়নিকগুলো ডেনমার্কের একটি জাহাজে তোলা হয়৷ আরো রাসায়নিক না আসা পর্যন্ত জাহাজটি সাগরেই থাকবে৷ রাসায়নিক অস্ত্র নিরোধ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আগামী জুনের মধ্যে শেষ কিস্তি সিরিয়া ছাড়ার কথা৷

এসিবি/জেডএইচ (ডিপিএ, এপি, এএফপি, রয়টার্স)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য