1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

মুম্বাই সন্ত্রাসী কান্ডের মূল রিপোর্ট পেশ

২১ ডিসেম্বর ২০০৯

২৬-১১এর মুম্বাই সন্ত্রাসী কান্ডের মূল রিপোর্ট সোমবার পেশ করা হয় ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের বিধানসভায়৷ রিপোর্টে পুলিশ ও সরকারি প্রশাসনের নানা ত্রুটি বিচ্যুতির উল্লেখ করা হয়৷

https://p.dw.com/p/LA4E
ফাইল ফটোছবি: AP

অন্যদিকে ঐ সন্ত্রাসে জড়িত সন্দেহে মার্কিন নাগরিক ডেভিড হেডলিকে ভারতের হাতে তুলে দেবার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে বলবে ভারত৷

রামপ্রধান কমিটির মূল রিপোর্টে তত্কালীন মুম্বাই পুলিশ কমিশনার হাসান গফুরের কর্তব্যে গাফিলতির সমালোচনা করে বলা হয়, তিনি পরিস্থিতির পুরো নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিতে পারেননি৷ নিয়ম অনুসারে তাঁর থাকা উচিত ছিল পুলিশ কন্ট্রোলরুমে, কিন্ত তিনি ট্রাইডেন্ট হোটেলের বাইরে থেকে নির্দেশ দেন৷ শুরুতে মুম্বাই পুলিশ ঐ হামলার ঘটনাকে দেখেছিল আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিরূপে৷ তবে কিছু পুলিশ অফিসারের প্রশংসা করা হয় যাঁরা ঐ সময় পুলিশ কন্ট্রোলরুমের দায়িত্বে ছিলেন৷ সরকারের গাফিলতির উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়, সন্ত্রাস মোকাবিলায় পুলিশকে উপযুক্তভাবে তৈরি রাখা হয়নি৷ তাদের না ছিল আধুনিক হাতিয়ার, না ছিল সুরক্ষা বর্ম, না ছিল তাদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো৷ সন্ত্রাস মোকাবিলায় সরকার ও পুলিশের মধ্যে ছিল সমন্বয়ের অভাব৷ গোয়েন্দা খবরাখবরকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি৷ উপকূল রক্ষী বাহিনীর কাজেও ছিল চরম গাফিলতি৷ সমুদ্রপথে সন্ত্রাসীরা এলো আর উপকূল রক্ষী বাহিনী তা টের পেলনা, এটা মানা যায়না ---- বলা হয় রামপ্রধান কমিটির রিপোর্টে৷

এদিকে, মুম্বাই সন্ত্রাসী কান্ডে জড়িত সন্দেহে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ডেভিড হেডলির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের পর তাঁকে ভারতের হাতে তুলে দেবার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে বলবে ভারত--- বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব জি.কে পিল্লাই৷ তিনি বলেন, বর্তমানে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা হেডলির বিরুদ্ধে তদন্ত করছে৷ ভারতীয় আদালতে চার্জশিট দাখিলের পর হেডলির বিরুদ্ধে জারি করা হবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা৷ উল্লেখ্য, মুম্বাই কান্ডের আগে হেডলি ভারতে এসে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংগ্রহ করে লস্কর-ই-তৈয়বাকে পাচার করে বলে অভিযোগ৷

প্রতিবেদক: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক