1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

উদার হচ্ছে নেদারল্যান্ডস

৫ ডিসেম্বর ২০১২

ধর্ম অবমাননাকে অপরাধের পর্যায়ে ফেলা ব্লাসফেমি আইন বাতিল করতে চলেছে নেদারল্যান্ডস৷ আয়ারল্যান্ডও হাঁটছে একইপথে৷ তবে ব্যতিক্রম গ্রিস৷ ধর্ম নিন্দা প্রতিরোধ বিষয়ক ব্লাসফেমি আইনে সে দেশের আদালতে চলছে বিচার৷

https://p.dw.com/p/16w8n
Muslim demonstrators shout slogans and burn an effigy of U.S. President Barack Obama during a protest against a film they consider blasphemous to Islam in Kolkata September 27, 2012. REUTERS/Rupak De Chowdhuri (INDIA - Tags: CIVIL UNREST RELIGION POLITICS)
ছবি: Reuters

ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননা রোধে প্রণীত আইনের প্রয়োগ দৃশ্যত বেশি দেখা যায় মুসলিম বিশ্বে৷ সুনির্দিষ্টভাবে বললে পাকিস্তান বা সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতে ইসলাম ধর্মকে কোনোভাবে কটাক্ষ করা হলে ব্লাসফেমি আইনে বিচার হয়৷ আর সে সবের খবর বড় শিরোনামে ছাপা হয় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে৷ ইউরোপে ব্লাসফেমি আইনের প্রয়োগ দুর্লভ৷ তবে অনেক দেশের আইনি কাঠামোয় ব্লাসফেমির বিষয়টি রয়েছে৷

Erste Kammer des niederländischen Parlaments
গত সপ্তাহে ডাচ সংসদে রাজনৈতিক দলগুলো জানিয়েছে, এই আইন বাতিল করার মতো পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের রয়েছেছবি: picture alliance/ANP XTRA

মহানবী মোহাম্মদকে ব্যঙ্গ করে প্রকাশিত বিভিন্ন কার্টুন এবং ছবির প্রতিবাদে সাম্প্রতিক সময়ে সহিংস বিক্ষোভ দেখা গেছে বিভিন্ন দেশে৷ মুসলিম দেশগুলোর মতো না হলেও ইউরোপে হয়েছে প্রতিবাদ৷ কয়েক বছর আগে ইসলামবিরোধী এক ভিডিও তৈরি করে ব্যাপক ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেন নেদারল্যান্ডসের উগ্র-ডানপন্থি রাজনীতিবিদ খেয়ার্ট ভিল্ডার্স৷ তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়৷ কিন্তু গত বছর সে দেশের এক আদালত তাঁকে এই মামলা থেকে রেহাই প্রদান করে৷ অথচ নেদারল্যান্ডসে ১৯৩২ সাল থেকে ব্লাসফেমি আইন চালু আছে৷ বিচারক এই আইন এড়িয়ে গেছেন৷ সেই থেকে সেদেশে ব্লাসফেমি আইন চালু রাখা বা না রাখা নিয়ে চলছে আলোচনা৷ গত সপ্তাহে ডাচ সংসদে রাজনৈতিক দলগুলো জানিয়েছে, এই আইন বাতিল করার মতো পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের রয়েছে৷

আয়ারল্যান্ড ২০০৯ সালে ব্লাসফেমি আইন চালু করে৷ তবে সে দেশও এখন এই আইন বাতিলের পথেই এগুচ্ছে৷ ব্যতিক্রম অবশ্য গ্রিস৷ একটি ছবিতে যিশু খ্রিষ্ট এবং তাঁর ধর্ম প্রচারকদের সমকামী হিসেবে দেখানোয় সেই ছবির প্রযোজক, পরিচালক এবং কলাকুশলীদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে গ্রিসের আদালতে৷

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পিউ' একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে৷ এতে দেখা যাচ্ছে, ইউরোপের ৪৫টি দেশের মধ্যে আটটিতে ব্লাসফেমি আইন রয়েছে৷ এছাড়া ৩৫টি দেশে ধর্ম অবমাননা রোধে আইন রয়েছে৷

পিউ'র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মুসলিম বিশ্বে ব্লাসফেমি আইনের প্রয়োগ বেশি৷ মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার ২০টি দেশের মধ্যে ১৩টিতে এই আইন রয়েছে৷ এশিয়ার নয়টি দেশেও রয়েছে ঈশ্বর নিন্দা রোধে ব্লাসফেমি আইন৷

এআই/ডিজি (রয়টার্স)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য