1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

পরমাণু প্রযুক্তি সরবরাহে ভারতকে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র

৩০ জুন ২০১১

পরমাণু সরঞ্জাম সরবরাহকারী গোষ্ঠী এনএসজি পরমাণু বাণিজ্যে ভারতকে যাতে বিশেষ ছাড় দেয়, তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবে৷ আজ এই আশ্বাস দেন ভারতের বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত টিমোথি রোমার৷

https://p.dw.com/p/11mlm
ছবি: picture-alliance / dpa / DW-Montage

২০০৬ সালে ভারত-মার্কিন বেসামরিক পরমাণু চুক্তি যাতে ইতিবাচক পথে অগ্রসর হতে পারে, এই বিবেচনায় ৪৬টি রাষ্ট্রের পরমাণু সরঞ্জাম সরবরাহকারী গোষ্ঠী এনএসজি ভারতকে বিশেষ ছাড় দেবার আশ্বাস দিয়েছিল৷ বলা হয়েছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জোরালো সমর্থন দেবে ভারতকে এবং সেবিষয়ে তদ্বির করবে৷ ভারত-মার্কিন বেসামরিক পরমাণু চুক্তির ১২৩ ধারায় এবিষয়ে ভারতের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের কথা বলা হয়েছে৷

ভারতে বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত রোমার টিমোথি আজ নতুনদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আশা করা যায় এনএসজি বিনাশর্তে উচ্চ পরমাণু প্রযুক্তি সবরাহের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ছাড় দেবে ভারতকে৷

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত এনএসজির বৈঠকে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ ও পুনপ্রক্রিয়াকরণ সংক্ষেপে ইএনআর প্রযুক্তি হস্তান্তরের নিয়মবিধি আরো কঠোর করার সুপারিশ করা হয়৷ বলা হয় ভারতকে এক্ষেত্রে ছাড় পেতে হলে পরমাণু দুর্ঘটনা সংক্রান্ত পরিপূরক ক্ষতিপূরণ কনভেনশন অনুমোদন করতে হবে এবং সই করতে হবে পরমাণু অস্ত্র প্রসার রোধ চুক্তি এনপিটিতে৷ অথচ ২০০৮সালে ভারতের সঙ্গে পরমাণু বাণিজ্য যাতে বিনা বাধায় হয় তার জন্য পরমাণু সরবরাহকারী দেশ গোষ্ঠী ভারতকে সে সময় বিশেষ ছাড় দিতে রাজি হয়েছিল৷

Chhatisgarh, Kernkraftwerk
ছত্তিশগড়ের একটি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রছবি: DW

নতুন পরিস্থিতিতে ভারত-মার্কিন বেসামরিক পরমাণু চুক্তির ওপর তার বিরূপ প্রভাব নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন৷ এনএসজির সঙ্গে যোগাযোগ করে ভারত বলেছে, পরমাণু দুর্ঘটনা সংক্রান্ত পরিপূরক ক্ষতিপূরণ কনভেনশন অনুমোদনের কথা ভারত আগেই ঘোষণা করেছে৷এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং বলেছেন, বেসামরিক পরমাণু প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রণী দুটি দেশ ফ্রান্স ও রাশিয়া ভারতের সঙ্গে তাদের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি রূপায়নে অবিচল থাকবে৷ ফ্রান্স ও রাশিয়া বলেছে, কিছু সদস্য দেশ এনপিটিতে সই করার জন্য ভারতকে চাপ দিতে চাইছে কিন্তু ফ্রান্স ও রাশিয়া তাতে কান দেবেনা৷ পরমাণু বাণিজ্যের জন্য তারা তৈরি৷ জাপানের মনোভাবও ইতিবাচক৷

বিশ্লেষকদের ধারণা, হালে ১১হাজার কোটি ডলারের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সরবরাহের বরাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে না দিয়ে ফ্রান্স-জার্মান ইওরো কোম্পানিকে দেয়ার সম্ভাব্য ফল এটা৷

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য