1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

গাড়ি দৌড়ের ক্যানাডা আসরে সেরা জেনসন বাটন

১৩ জুন ২০১১

ফরমুলা ওয়ানে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন সেবাস্টিয়ান ফেটেলকে পেছনে ফেলে বৃষ্টি স্নাত পিচ ঢালা পথে ক্যানাডার গ্র্যান্ড প্রিক্সে বিজয় ছিনিয়ে আনলেন জেনসন বাটন৷ চলতি মৌসুমে এটিই প্রথম জয় ম্যাকলারেন চালক ইংলিশ তারকা বাটনের৷

https://p.dw.com/p/11ZBo
বিজয়ী বাটনছবি: AP

রবিবারের ক্যানাডীয় গাড়ি দৌড়ের আসর ছিল অত্যন্ত ঘটনাবহুল৷ কারণ একদিকে অঝোর ধারায় বৃষ্টির কারণে দুই ঘণ্টার বিরতি৷ অন্যদিকে, নিজ দলের সহযোদ্ধা লুইস হ্যামিল্টনের সাথে শুরুর দিকেই ধাক্কা সামলিয়ে বাটনের এগিয়ে যাওয়া৷ যার দরুণ, ক্যানাডা আসরের গত দুই বারের সেরা বেচারা হ্যামিল্টনকে অষ্টম পাকেই দৌড় থেকে ছিটকে পড়তে হয়েছে৷ অন্যদিকে, দুই বারের চ্যাম্পিয়ন ফেরারি চালক ফারনান্দো অ্যালোন্সোর সাথেও ধাক্কা সামলাতে হয়েছে বাটনকে৷

তারপরেও রেড বুলের জার্মান চালক সেবাস্টিয়ান ফেটেলকে পেছনে ফেলে একেবারে সামনে পৌঁছে গেলেন ৩১ বছর বয়সি বাটন৷ রবিবার গাড়ি দৌড়ের আসরে সেরা হতে বাটনকে মাঠে কাটাতে হয়েছে চার ঘণ্টা চার মিনিট ৩৯.৫৩ সেকেন্ড৷ তবে তাঁকে গাড়ি চালাতে হয়েছে এক ঘণ্টা ২৩ মিনিট ৫০.৯৯ সেকেন্ড৷ তাঁর গড় গতি ছিল ঘণ্টায় ৭৪.৮৬ কিলোমিটার৷ ২০০৯ সালের সেরা চালক বাটনের এটি ১০ম জয়৷

সময়ের দৌড়ে বাটনের চেয়ে মাত্র ২.৭০ সেকেন্ড পিছিয়ে ছিলেন জার্মান তারকা ২৩ বছর বয়সি ফেটেল৷ চলতি মৌসুমের সাতটি আসরে এটি তাঁর দ্বিতীয় হার৷ অবশ্য ফেটেল সেরা না হলেও রেড বুলের জন্য সান্ত্বনা যে, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানেই তাদের দুই তারকা৷ ফেটেলের পরেই ছিলেন রেড বুলের অপর চালক অস্ট্রেলীয় তারকা মার্ক ওয়েবার৷ তিনি ছিলেন ১৩.৮২ সেকেন্ড পেছনে৷

আর জার্মানির জন্য খুশির খবর যে, ফেটেল একটু পিছিয়ে গেলেও এগিয়ে এসেছেন সাতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং ক্যানাডা আসরের সাত বারের বিজয়ী জার্মান তারকা মিশায়েল শুমাখার৷ মার্সিডিজ চালক শুমাখার ১৪.২১ সেকেন্ড পেছনে থেকে চতুর্থ অবস্থানে দৌড় শেষ করেছেন রবিবার৷ তাঁর পরেই রয়েছেন রেনো চালক রুশ তারকা ভিটালি পেট্রোভ৷

যাহোক, এমন একটি লড়াইয়ের পর তাই বাটনের উচ্ছ্বাসও বেশ উচ্চ মাত্রার৷ বললেন, ‘‘এটা আসলেই খুব বড়মাপের লড়াই ছিল৷ তবে আমি জোর কদমে এগিয়ে যেতে পেরেছি এবং শেষ পর্যন্ত সব পর্যায়েই ফেটেলকে ছাড়িয়ে যেতে পেরেছি৷ এটা আমার আরও একটি বড় জয় এবং সম্ভবত সবচেয়ে সেরা অর্জন৷''

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়