1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

দুর্নীতির সূচকে উন্নতি হলেও আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই - ইফতেখারুজ্জামান

৬ ডিসেম্বর ২০১১

দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানের উন্নতি হলেও দুর্নীতি যে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ বাস্তবে বাংলাদেশে এর কোন প্রতিফলন নেই বলে মনে করেন টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান৷

https://p.dw.com/p/13N6Y
Transparency International Logo
টিআই-এর লোগো

দুর্নীতির সূচকে একধাপ ওঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন কতটুকু? এর উত্তরে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যশনালের বাংলাদেশ শাখার নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, ‘‘আপাতদৃষ্টিতে নিঃসন্দেহে এটা আমাদের জন্য একটা সন্তুষ্টির বিষয়৷ গতবারের তুলনায় এবার একধাপ উপরে উঠতে পেরেছি আমরা৷ আমাদের স্কোরও আগের চেয়ে ভাল৷ আগে ছিল ২.৪ এবার হয়েছে ২.৭৷ তবে আত্মতুষ্টির কোন সুযোগ আমরা দেখি না৷ এখানে অবশ্য ২০১১ সালের দুর্নীতির প্রতিফলন ঘটেনি৷ আমরা তা তথ্যসূত্র প্রকাশের সময় বর্ণনা করেছি৷ প্রতি দু বছর পরপর এই প্রতিবেদন বের হয়৷ দুই বছর আগে সরকার অঙ্গিকার করেছিল দুর্নীতি কমাবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করেছে এটা তারই প্রতিফলন৷ পরবর্তীতে যে সব পদক্ষেপ দুর্নীতির নিয়ন্ত্রণে নেতিবাচক বা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়নি – এরকম যে পদক্ষেপগুলো রয়েছে সেগুলোর প্রতিফলন এই সূচকে আসেনি বা তার প্রতিফলন এবারের প্রতিবেদনে দেখা যায়নি৷''

দুর্নীতি দমন বা দুর্নীতি দূর করা কেন সহজ হচ্ছে না? এই প্রশ্নের উত্তরে ড. ইফতেখারুজ্জামান  বললেন, ‘‘আমাদের মনে রাখতে হবে দুর্নীতি পৃথিবীর সব দেশেই আছে৷ কম আর বেশি৷ পৃথিবীতে এমন কোন দেশ নাই যেখানে দুর্নীতি নাই বা হয়নি৷ এই সূচকে যে দেশগুলো সবচেয়ে বেশি স্কোর করেছে তারাও ১০ এর মধ্যে ৯.৫ পেয়েছে অর্থাৎ কোন দেশই ১০ এ ১০ পায়নি৷ আমাদের দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করতে সময় লাগবে এটাই স্বাভাবিক৷ যে কারণে দুর্নীতি এখনও এ দেশে রয়েছে তা হল – দুর্নীতি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ এটা কাগজে-কলমে এবং আইনে আছে কিন্তু বাস্তবে এর কোন প্রতিফলন নেই৷ আমরা এই জিনিসটি সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি৷ যে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকবে বা দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবে সে সমাজের যে অবস্থানেই থাকুক না কেন তার শাস্তি হবে৷ বিচারের কাঠগড়ায় তাকে দাঁড়াতে হবে৷ অপরাধ প্রমাণিত হলে তার শাস্তি হবে৷ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জিনিসটিই আমাদের দেশে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি৷''

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য